২২শে অক্টোবর, ২০১৯ ইং | ৭ই কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | রাত ১০:৪৪

নারী চিকিৎসকের নিরাপত্তার অভাব হাসপাতালে রাতে বন্ধ আল্ট্রাসনোগ্রাম আল্ট্রাসাউন্ড, গর্ভবতীদের ভোগান্তি

দেশজনতা অনলাইন : গত ১২ জুলাই রাত ৯টার দিকে গর্ভবতী রুম্পার শরীরে রক্তক্ষরণ শুরু হয়। সোয়া ৯টার দিকে তাকে নিয়ে যাওয়া হয় শ্যামলীর পপুলার হাসপাতালে। কিন্তু সেখানে নেওয়ার পর জানানো হয়, সেই মুহূর্তে গাইনি চিকিৎসক নেই, আল্ট্রাসাউন্ড করারও উপায় নেই। কারণ রাত ৮টার পর আল্ট্রাসাউন্ড করার ডাক্তার চলে যান। এরপর তাকে নিয়ে যাওয়া হয় শ্যামলীর কেয়ার হাসপাতালে। সেখানেও একই পরিস্থিতি। গাইনি ও আল্ট্রাসাউন্ড করার ডাক্তার নেই। এরপর তাকে নিয়ে যাওয়া হয় সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের জরুরি বিভাগে। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, এই মুহূর্তে আল্ট্রাসাউন্ড করার উপায় নেই। আল্ট্রাসাউন্ড ছাড়া রোগীর সমস্যা বোঝা সম্ভব না। তাই তারা রোগ নির্ণয় করতে পারছেন না। ডাক্তার রক্তক্ষরণ বন্ধ করার ওষুধ দিয়ে পরদিন এসে আল্ট্রাসাউন্ড টেস্ট করতে বলেন। রাতে রোগীকে বাসায় নিয়ে যাওয়ার পর রাত সাড়ে ১১টার দিকে অবস্থা আরও খারাপের দিকে যেতে থাকে। এবার বাংলাদেশ মেডিক্যালের জরুরি বিভাগে নেওয়ার পর গাইনি বিভাগের অধীনে ভর্তি করা হয় রুম্পাকে।

প্রকাশ :সেপ্টেম্বর ৭, ২০১৯ ৩:৫৫ অপরাহ্ণ