১০ই ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং | ২৫শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | বিকাল ৩:২৩

স্কুলছাত্রের বাংলায় কথা বলা রোবট আবিস্কার

এই ক্ষুদে বিজ্ঞানীর বাবা সন্তোষ কর্মকার এবং মা দীপ্তি কর্মকার। দুই ভাই-বোনের মধ্যে শুভ বড়। সে সরকারি গৈলা মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র।

ছোট বেলা থেকেই শুভ বিজ্ঞান মেলায় অংশগ্রহণ করতো। শুধু অংশই নিতো তা নয়, অনেক সময় সেসব প্রতিযোগিতায় পুরস্কারও জিতে নিতো। আর এসব কাজে থাকতে থাকতে এক সময় তার মনে হলো, অন্য অনেকের মতো সেও একটা রোবট বানাতে পারে। তবে তার রোবট হবে গতানুগতিক রোবট থেকে একটু আলাদা। আর সে লক্ষ্য নিয়েই ২০১৮ সালের মে মাসে রোবট তৈরির কাজ শুরু করে, যা প্রাথমিকভাবে শেষ করে চলতি বছরের জানুয়ারিতে। রোবটের নাম রাখা হয় রবিন। আমেরিকার একটি কার্টুন শোর সুপার হিরোর নামানুসারে এই নাম দেয়া হয়। এরপর থেকেই রবিনের পরিচিতি চারদিকে ছড়িয়ে পড়তে থাকে।

রবিনের আবিষ্কারের ব্যাপারে শুভ কর্মকার বলে, ‘ইন্টারনেট থেকে বিভিন্ন তথ্য নিয়ে এবং ইউটিউব থেকে বিভিন্ন ভিডিও দেখেই রোবটটি তৈরি করেছি। একে আরো উন্নত করতে এখন কাজ করছি। বর্তমানে তার দৃষ্টিশক্তি নেই, আগামীতে সে সবাইকে দেখতে পারবে। সেই সাথে কারো সঙ্গে একবার পরিচয় হলে তাকে পরবর্তীতে দেখলে চিনতে পারবে এবং বিভিন্ন সমস্যা নিজে দেখে সমাধান করতে পারবে। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, আমার এই রোবট অনেক কিছু নিজে নিজেই শিখতে পারে। এর জন্য কোনো কোডিংয়ের প্রয়োজন হয় না অর্থাৎ কিছুটা সেল্ফ লার্নিং আয়ত্ত করে নিয়েছে।’

প্রকাশ :নভেম্বর ২৪, ২০১৯ ৪:২৬ অপরাহ্ণ