১০ই এপ্রিল, ২০২৬ ইং | ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | দুপুর ২:০৮

সেমিফাইনালে পা রেখেছে স্বাগতিক ইংল্যান্ড

স্পোর্টস ডেস্ক:

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে প্রথম দল হিসেবে সেমিফাইনালে পা রেখেছে স্বাগতিক ইংল্যান্ড। ঘরের মাঠে এবার ফেবারিট হিসেবেই মাঠে নেমেছিল তারা। আর ফেবারিটদের মতই পারফরম্যান্স করেছে দলটি। নিউজিল্যান্ডকে উড়িয়ে দিয়ে সেমিফাইনালের টিকেট কাটে ইংলিশরা। ইংলিশদের ৮৭ রানের এ বড় জয়ে সেমিতে খেলার স্বপ্নটা জোরালো হলো বাংলাদেশের। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়া হারলে আর নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশ জিতলে শেষ চারে জায়গা করে নিবে টাইগাররা।

ইংল্যান্ডের দেওয়া ৩১১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় নিউজিল্যান্ড। মঙ্গলবার ইংলিশদের ইনিংস শেষ হওয়ার পরই নামে বৃষ্টি। তবে ভাগ্য ভালো আধ ঘণ্টায় থেমেছে বর্ষণ। এরপর শুরু হয় খেলা। বৃষ্টির পর ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই উইকেট হারায় নিউজিল্যান্ড। জেক বলের বলে বোল্ড হয়ে যান লুক রনকি (০)।

এরপর অধিনায়ককে দলের হাল ধরেন আরেক ওপেনার মার্টিন গাপটিল। ৬২ রানের জুটি গরেন তারা। এ জুটি ভাঙ্গেন স্টোকস। ব্যক্তিগত ২৭ রানে সাজঘরে ফিরে যান গাপটিল। এরপর স্বাগতিকদের কপালে ভাঁজ চওড়া করেন উইলিয়ামসন। রস টেইলরকে নিয়ে গড়েন ৯৫ রানের জুটি। টানা দ্বিতীয় সেঞ্চুরির দিকে এগিয়ে যাচ্ছিলেন তিনি। তবে ৮৭ রানে তাকে থামান মার্ক উড।  এরপর বেশি দূর এগুতে পারেননি টেইলরও। ব্যক্তিগত ৩৯ রানে ফিরে যান তিনি। আর টেইলরের বিদায়ের পর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে দলটি। ফলে ৪৪.৩ ওভারে ২২৩ রানে অলআউট হয়ে যায় দলটি। ইংল্যান্ডের পক্ষে ৫৫ রানের বিনিময়ে ৪টি উইকেট পেয়েছেন লিয়াম প্লাঙ্কেট। ২টি করে উইকেট পান বল ও রশিদ।

এর আগে ব্যাটসম্যানদের সম্মিলিত পারফরম্যান্সে ইংলিশরা ৪৯.৩ ওভারে ৩১০ রান করে অল আউট হয়। এই ম্যাচে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা নেহাত মন্দ করেনি ইংল্যান্ড। ৩৭ রানের ওপেনিং জুটির পর অ্যাডাম মিলনের বলে প্রথম উইকেট হারায় স্বাগতিকরা। ১৩ রান করে ফিরে যান জেসন রয়। এরপর ইনফর্ম জো রুট নেমে হেলসের সঙ্গে রুট দ্বিতীয় উইকেটে গড়ে তোলেন ৮১ রানের জুটি। ৫৬ রান করে হেলস মিলনের দ্বিতীয় শিকার হলেন। এই জুটি ভাঙার পর ইংলিশ অধিনায়ক ইনফর্ম ব্যাটসম্যান ইয়ন মরগান বেশিক্ষণ থাকতে পারেননি।
সময়ের সবচেয়ে আলোচিত অল-রাউন্ডার বেন স্টোকস জুটি বাঁধেন রুটের সঙ্গে। দুজন মিলে দারুণ বোঝাপড়ায় দলকে এগিয়ে নিচ্ছিলেন আরো সামনে। কিন্তু ৩৪তম ওভারে কোরি অ্যান্ডারসন তার দ্বিতীয় শিকার বানিয়ে ফেলেন রুটকে। ৬৫ বলে ২ ছক্কা ও ৪ বাউন্ডারিতে ৬৪ রান করে ফিরে যান তিনি। তাদের জুটি থেকে আসে ৫৪ রান।

রুটের বিদায়ের পর কিছুক্ষণ পর ফিরে আসেন স্টোকস। ফিফটির দুই রান আগে ট্রেন্ট বোল্টের শিকার তিনি। ৫ উইকেটে ২১০ রান তখন। ওভার চলছে ৩৮। ইংল্যান্ডের ব্যাটিংয়ের শেষদিকেও অল-রাউন্ডার থাকেন বরাবর। মঈন আলি (১২), আদিল রশিদদের (১২) নিয়ে জস বাটলার ছুটে চলেন। শেষটায় এই বাটলারই টেনে নিয়ে গেছেন ইংলিশদের ইনিংস। লিয়াম পাঙ্কেটের সাথে ৪৯ রানের জুটি বাটলারের অষ্টম উইকেটে।
শেষ ১০ ওভারে ইংল্যান্ডে তোলে ৮৯ রান। তবে শেষের ৫ ওভারে ঝড়টা কমে ৩২ রানের হয়েছে। আর একেবারে শেষটায় ৪ বলের মধ্যে ১ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে অল আউট হয়েছে ইংলিশরা। ততক্ষণে অবশ্য লড়ার মতো পুঁজি পেয়ে গেছে তারা। কিউই বোলার মিলনে ও অ্যান্ডারসনের শিকার ৩টি করে উইকেট। ২ উইকেট টিম সাউদির। মিচেল স্যান্টনার ও বোল্ট নিয়েছেন ১টি করে উইকেট।

দৈনিক দেশজনতা/এন এইচ

প্রকাশ :জুন ৭, ২০১৭ ১:১৮ অপরাহ্ণ