নিজস্ব প্রতিবেদক:
কোটা সংস্কারের দাবিতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি), চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি), বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সকল বিভাগ-ইনস্টিটিউটের সোমবার ক্লাস বর্জন কর্মসূচির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন বলে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ এ তথ্য জানিয়েছে।
এদিকে চাকরিতে কোটা ব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধান করতে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ বেলা ১১টার দিকে আন্দোলনকারীদের ৫ দফা নিয়ে আলোচনায় বসার কথা রয়েছে সেতুমন্ত্রীর।
উল্লেখ্য, পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, ৮ এপ্রিল দুপুর ২টায় ঢাবি কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে থেকে শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রার্থীদের পদযাত্রা শুরু হয়। পরে রাজু ভাস্কর্য হয়ে নীলক্ষেত ও কাঁটাবন ঘুরে পদযাত্রাটি শাহবাগ মোড়ে আসে। বিকাল ৩টা থেকে সেখানেই অবস্থান নেন। এ সময় শাহবাগের আশপাশের সড়ক দিয়ে গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। অবস্থান ধরে রাখলে রাত রাত ৮টা থেকে রাত ২টার পর পর্যন্ত কয়েকদফায় পুলিশের লাঠিচার্জ ও গুলি হয়।
এ সময় কয়েকজনকে আটকও করে পুলিশ। এরপরই পুলিশ আন্দোলনকারীদের ধাওয়া দেয়। এ সময় পুলিশ ও আন্দোলনকারীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। পুলিশের অ্যাকশনের পর শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রার্থীরা অবস্থান নেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার ও টিএসসি এলাকায়। সবশেষে তারা ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আক্তারুজ্জামানের বাসভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে স্লোগান দিতে থাকেন।
পরে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক এসে সরকারের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের বৈঠকের আহ্বান জানান।
দৈনিকদেশজনতা/ আই সি
Daily Deshjanata দেশ ও জনতার বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর

