স্পোর্টস ডেস্ক:
মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আগামীকাল শুরু হবে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার মধ্যকার দুই ম্যাচ টেস্ট সিরিজের শেষ ম্যাচ। এই ম্যাচে একাদশে থাকতে পারেন ডানহাতি ব্যাটসম্যান সাব্বির রহমান এবং অভিজ্ঞ স্পিনার আব্দুর রাজ্জাক।
চট্টগ্রাম টেস্টে সানজামুল ইসলাম ১৫৮ রান নিয়ে নেন একটি উইকেট। এরপর ঢাকা টেস্টের স্কোয়াডে ডাক পাননি তিনি। কিন্তু আব্দুর রাজ্জাক আছেন স্কোয়াডে। যেহেতু সাকিব আল হাসান এই সিরিজে নেই। আবার সানজামুল ইসলামও একাদশের বাইরে। আর ইতিহাস ঘাটলে দেখা যায় ঢাকার উইকেটে স্পিনাররাই বেশি সুবিধা করে থাকেন। এ কারণে এই ম্যাচে আব্দুর রাজ্জাককে একাদশে নেয়ার সম্ভাবনা বেশি।
অন্যদিকে, জাতীয় দলের মারকুটে ব্যাটসম্যান সাব্বির রহমান ফর্মহীনতার কারণে চট্টগ্রাম টেস্টের স্কোয়াডে জায়গা পাননি। সাব্বির যে পজিশনে খেলে থাকেন প্রথম টেস্টে ওই পজিশনে খেলেছিলেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। কিন্তু তিনি সেভাবে নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। দুই ইনিংস মিলে সৈকতের মোট রান ১৬। বল করলেও তিনি উইকেটের দেখা পাননি। যদিও ঢাকা টেস্টের স্কোয়াডে মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত আছেন কিন্তু তার একাদশে থাকার সম্ভাবনা খুবই কম। এই পজিশনে সাব্বির রহমানকে খেলানো হতে পারে।
সাব্বির রহমান শেষ কয়েকটি টেস্টে তেমন ভালো করতে পারেননি। তিনি এখন পর্যন্ত দশটি দশটি টেস্ট ম্যাচ খেলে করেছেন ৪৮০ রান। যার মধ্যে রয়েছে চারটি হাফ সেঞ্চুরি।
২০১৪ সালে সর্বশেষ জাতীয় দলের জার্সিতে খেলেছিলেন আব্দুর রাজ্জাক। ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে অধিনায়ক সাকিব আল হাসান ইনজুরিতে আক্রান্ত হওয়ার পর হঠাৎ করেই দলে ডাক পান ৩৫ বছর বয়সী এই স্পিনার। কিন্তু চট্টগ্রাম টেস্ট স্কোয়াডে জায়গা হলেও জায়গা হয়নি একাদশে। ওই ম্যাচে দর্শক সারিতে বসেই কাটিয়েছিলেন রাজ্জাক। ওই ম্যাচে মিরাজ ও তাইজুলের সাথে একাদশে জায়গা পান স্পিনার সানজামুল ইসলাম।
বাংলাদেশের হয়ে ১৯৯টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা রাজ্জাকের। বয়স হলেও ঘরোয়া ক্রিকেট খেলে যাচ্ছেন দাপটের সঙ্গে। বিসিএলের প্রথম তিন রাউন্ডে ২০টি উইকেট নিয়ে তিনিই সবচেয়ে বেশি উইকেট সংগ্রহকারী।
দৈনিক দেশজনতা/এন এইচ
Daily Deshjanata দেশ ও জনতার বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর

