আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
তখন দুপুর দেড়টা। ক্লাস শেষে কলেজের ছাদে দাঁড়িয়ে ফোনে কথা বলছিলেন ৩২ বছরের ওই শিক্ষিকা। ফোনে কথা বলার সময় তিনি খেয়াল করেননি খুব কাছেই কোন ব্যক্তি একদৃষ্টে তার দিকে তাকিয়ে আছেন। পরে বিষয়টি দেখলেও গুরুত্ব না দিয়ে ফোনে কথা বলতে থাকেন তিনি। এক পর্যায়ে হঠাৎই ওই লোকটা তার খুব কাছে চলে আসে। ভাল করে খেয়াল করতেই শিক্ষিকা বুঝতে পারেন।
শিক্ষিকার দাবি, এ পরিস্থিতিতে তিনি সেখান থেকে চলে যাওয়ার চেষ্টা করলে লোকটি তাকে বাধা দেয় এবং পেছন থেকে জাপটে ধরে শ্লীলতাহানি করে। এ সময় কোনও রকমে নিজেকে ছাড়িয়ে দরজার দিকে ছুটে যান তিনি। কিন্তু দরজা আগে থেকেই ওই ব্যক্তি বন্ধ করে রেখেছিল। ফের তাকে ধরতে এলে ধাক্কা মেরে অভিযুক্তকে সরিয়ে দেন এবং চিত্কার করতে থাকেন ওই শিক্ষিকা। এতে আশপাশের লোকজন ছুটে আসার আগেই মোবাইল ফোনটি কেড়ে নিয়ে পাশের বাড়ির ছাদ টপকে পালিয়ে যায় অভিযুক্ত।
গত ৩০ নভেম্বর ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে এ ঘটনা ঘটে। কলকাতাভিত্তিক আনন্দাবাজার পত্রিকা এ খবর দিয়েছে। শ্লীলতাহানির ঘটনায় পুলিশের কাছে অজ্ঞাতপরিচয় ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন শিক্ষিকা। কলেজের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছে পুলিশ। আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
দৈনিকদেশজনতা/ আই সি
Daily Deshjanata দেশ ও জনতার বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর

