স্পোর্টস ডেস্ক:
এই ম্যাচ জিতলে সিরিজ নিশ্চিত। হাম্বানটোটায় টস জিতে শ্রীলঙ্কার ওপেনিং জুটিতে এলো চোখ ধাঁধানো ২০৯। কিন্তু সেটিকে পরের ব্যাটসম্যানরা কাজে লাগাতে পারলেন না। তারপরও স্কোর বোর্ডে সফরকারীদের রান ৬ উইকেটে ৩০০ রান।এটাকে নেহায়েত মামুলি টার্গেট বলা যায় না। যেখানে মালিঙ্গাদের মতো বিধ্বংসী বোলার রয়েছেন। কিন্তু দিন শেষে লঙ্কান ওপেনার নিরোসান ডিকওলার ১১৬ রানের ইনিংস কোনো কাজে এলো না।মিডল-অর্ডার ব্যাটসম্যান ক্রেগ আরভিন বীরত্বে জিম্বাবুয়ে ৪ উইকেটের জয় তুলে নিয়ে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে ২-২- এ সমতায় ফিরেছে। ফলে শেষ ম্যাচ দু’দলের জন্যই ফাইনাল হয়ে দেখা দিচ্ছে।ডিকওলা ছাড়া লঙ্কানদের পক্ষে আরেক ওপেনার ধানুষ্কা গুনাথিলকা ৮৭ এবং অধিনায়ক অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুস করেন ৪২ রান। জিম্বাবুয়ের পক্ষে ক্রিস এমপফু ও ম্যালকম ওয়ালার দুটি করে উইকেট নেন।৩০১ রানের জবাব দিতে নেমে হ্যামিল্টন মাসাকাদজা আর সলোমন মিরে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন। ৬৭ রানের এই জুটির পর ১২৮ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়ে জিম্বাবুয়ে। এরপর দলীয় ১৩৯ রানের সময় নামে বৃষ্টি। সেই বৃষ্টিই স্বাগতিকদের আর্শিবাদ হয়ে দেখা দেয়।বৃষ্টি থামলে খেলা শুরু হয়। বৃষ্টি আইনে জিম্বাবুয়ের নতুন লক্ষ্য ৩১ ওভারে ২১৯। অর্থাৎ যে অবস্থানে জিম্বাবুয়ে আছে, সেখান থেকে ৬০ বলে তাদের করতে হবে ৮০ রান, হাতে ৭ উইকেট।বাকিটা ইতিহাস। টি টোয়েন্টি খেলে যখন দলকে ৪ উইকেটের জয় উপহার দেন ক্রেগ আরভিন, তখনো ম্যাচের ১০ বল বাকি। আরভিন ৫৫ বলে ৮ চার এক ছক্কায় ৬৯ রান করে অপরাজিত থাকেন, হন ম্যাচসেরা।এছাড়া দলের পক্ষে সলোমন ৪৩, তারিসাই মুসাকান্দা ৩০ এবং মাসাকাদজা ২৮ রান করেন। শ্রীলঙ্কার পক্ষে হাসারাঙ্গা ৩ উইকেট নেন।
দৈনিক দেশজনতা/এন এইচ
Daily Deshjanata দেশ ও জনতার বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর

